অভিভাবক নির্দেশিকা
আল জামিয়াতুল আরাবিয়া মায়মূনা রা.
সকল অভিভাবকের প্রতি
মুহতামিম সাহেবের বাণী
সম্মানিত অভিভাবক!
বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তি ও উৎকর্ষের যুগে শিক্ষা কারিকুলাম ও সন্তান প্রতিপালন ব্যবস্থায় আমাদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও যুগোপযোগী কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ সময়ের দাবি।
সন্তানের মনোযোগ ভিন্ন খাতে আকর্ষণ করার উপকরণ ব্যাপক হয়েছে। উন্নতি যেমন হয়েছে, নৈতিক অবক্ষয়, বড়দের প্রতি অশ্রদ্ধা, পিতা-মাতার অবাধ্যতা, অশ্লীলতা ও ঈমান বিধ্বংসী কার্যকলাপও বেড়েছে বহুগুণ। এ পরিস্থিতিতে আমাদের আরো মনোযোগী হতে হবে। জীবনের মূল লক্ষ্যে ফোকাস করতে শৃঙ্খলা বজায় রেখে নতুন প্রজন্মের জ্ঞান বিকাশ, কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি এবং চিন্তাশক্তি শানিত করার পরিকল্পিত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
এজন্য প্রয়োজন শিক্ষক-অভিভাবকের সম্মিলিত প্রয়াস। আমরা আজ এ বিষয়ে মত বিনিময় করতে চাই। আসুন, আমরা আলোচনা করি, সন্তানের কল্যাণে অভিভাবক হিসাবে আমার কী কর্তব্য।
-মাআস সালাম
মাওলানা আবুবকর ছিদ্দীক কাসেমী।
মুহতামিম ও শায়খুল হাদীস, অত্র মাদরাসা।
আপনার সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনায় আমাদের এই প্রয়াস!
আপনার সচেতনতা ও ভালোবাসাই সন্তানের সবচেয়ে বড় পুঁজি
অভিভাবকের অঙ্গীকার
আমি জামিয়ার সকল নিয়ম কানুন মান্য করাসহ নিম্ন বর্ণিত বিয়য়গুলোর প্রতি আন্তরিক হব। ইন শা আল্লাহ।
- লেখাপড়া ও আমল আখলাকের উন্নতিকল্পে প্রতিষ্ঠানের কর্ম-পদ্ধতি ও কারিকুলামের সাথে একাত্মতা পোষণ করবো।
- সন্তানের লেখাপড়া ও আমল আখলাকের খোঁজ খবর নেওয়াকে আমার গুরু কর্তব্য মনে করবো।
- ছুটির প্রয়োজন হলে নিজে এসে যথাযথ কারণ দেখিয়ে ছুটির আবেদন করবো।
- ছুটি বা অন্য কোন সময় আমার ছেলে/মেয়ে একা একা যাতায়াত করবে না। আমি অথবা ভর্তি ফরমে উল্লেখিত মাহরাম তাকে আনা নেওয়া করবে।
- আমার ছেলে/মেয়ে মাদরাসার সকল ব্যবস্থাপনা ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না। তার দায় আমার উপর বর্তাবে।
- নির্ধারিত সময়ে ছাত্র/ছাত্রীর সাথে সাক্ষাত করবো।
- ফোনে কথা বলার নির্ধারিত সময় ও সাক্ষাতের সময় ছাড়া যোগাযোগের চেষ্টা করে লেখাপড়ায় বিঘ্নতা ঘটাবো না।
- বিধি মোতাবেক বেতন পরিশোধ করবো।
- মাদরাসার আভ্যন্তরীন কোন বিষয়ে অভিযোগ পরামর্শ থাকলে কর্তব্যরত শিক্ষককে অবহিত করবো।
- কোনো শিক্ষক/শিক্ষিকার কাছে কৈফিয়ত চাইবো না। বরং মাদরাসা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মানতে বাধ্য থাকবো।
সন্তানের শিক্ষা শুধু মাদরাসার দায়িত্ব নয়, অভিভাবকই সন্তানের প্রথম ও প্রধান শিক্ষক।
বেতন বিধি
- মাসিক প্রদেয় প্রতি ইংরেজি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।
- শাওয়াল থেকে রমজান পূর্ণ ১২ মাসের বেতন প্রদান করতে হবে। তবে যে মাসে বোর্ডিং থেকে খাবার খাবে না, সেই মাসের শুধু বেতন দিতে হবে।
- কোন শিক্ষার্থী মাসের কিছুদিন অনুপস্থিত থাকলে বেতন ও খানার টাকা কর্তন করা হবে না।
- মাদরাসার নৈমিত্তিক ছুটির দিনগুলোর খানার টাকা কর্তন করা হবে না। তবে যারা প্রতি মাসে পূর্ণ টাকা দেন, তাদের খানার টাকা কর্তন করা হবে।
একাকী যাতায়াত সংক্রান্ত জরুরী নিয়ম:
কোনো শিক্ষার্থীর একাকী যাতায়াতের অনুমতি নেই। অগত্যা কারো একাকী যাতায়াত করতে হলে অফিসে ফরম পুরণ করে একাকী যাতায়াত কার্ড সংগ্রহ করুন। আল্লাহ না করুন! একাকী যাতায়াতের কারণে রাস্তায় কোন দুর্ঘটনার শিকার হলে এর দায় মাদরাসা কর্তৃপক্ষের উপর বর্তাবে না।
সাক্ষাত ও যোগাযোগ
সাক্ষাতের সময়সূচী:
| সকাল: | ৭:১৫ থেকে ৭:৫০ |
| দুপুর: | ১:৪৫ থেকে ২:১৫ |
| বিকাল: | আছর থেকে মাগরিব |
| রাত: | ৮:৩০ থেকে ৯:৩০ |
সাক্ষাতের নিয়ম:
- শুধু আছরের পর ও শুক্রবার সকাল ৮ টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মহিলা অভিভাবকগণ ছাত্রীনিবাসে যেতে পারবেন।
- উলেখিত সময় ছাড়া সাক্ষাতের কোনো সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে কোনো সুপারিশও গ্রহণযোগ্য নয়।
- ছুটির নির্ধারিত সময়ের আগে নিয়ে যাওয়ার জন্য পীড়াপিড়ি না করার আহ্বান রইল।
- ক্লাস ও পড়ার সময় কোন অভিভাবক ও পরিদর্শনকারী ক্লাস রুম ও ছাত্রীনিবাসে প্রবেশ করতে পারবেন না।
- ক্লাস ও পড়ার সময় কাউকে ছুটি ও সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়া হয় না।
অসময়ে সাক্ষাৎ করতে আসা নিজের সন্তানের ক্ষতি করার নামান্তর।
যোগাযোগ সংক্রান্ত তথ্য:
আবাসিক ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে কথা বলার জন্য ক্লাস ভিত্তিক নির্দিষ্ট ফোন নম্বর:
| শ্রেণী | মোবাইল নং |
| দাওরা, হেদায়া: | 01683008669 |
| মেশকাত, শরহে বেকায়া: | 01683008672 |
| হিফজ বালিকা, নূরানী বালিকা: | 01783404340 |
| মীযান, ছালেছ: | 01331279030 |
| নাহবেমীর: | 01331275252 |
| কুদূরী, রাবে: | 01331272090 |
| খামেস: | 01331277677 |
| হিফয, নূরানী বালক: | 01915324040 |
- মাদরাসার নির্ধারিত মোবাইল নম্বর ছাড়া কোন স্টাফের নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে না।
- ছুটি গ্রহণ, লেখাপড়া ও আমল আখলাকের অবস্থা সম্পর্কে মত বিনিময়ের জন্য ক্লাসের দায়িত্বশীল শিক্ষকের সাথে নির্দিষ্ট নম্বরে নির্দিষ্ট সময়ে যোগাযোগ করার অনুরোধ করছি।
- আছর থেকে মাগরিব ও রাত ৯:০০ টা থেকে ১০:০০ টা পর্যন্ত সপ্তাহে একদিন ক্লাস ভিত্তিক নির্দিষ্ট নম্বরে ফোনে কথা বলতে পারবেন।
- কথা বলার সময় অনুর্ধ্ব ৩ মিনিট।
ছুটির নিয়ম কানুন
- শরয়ী পর্দা রক্ষা করে মাহরাম অভিভাবক সন্তানের আনা-নেওয়া করুন।
- গ্রহণযোগ্য কারণ উল্লেখ করে তথ্য বইয়ে দরখাস্তের মাধ্যমে ছুটি নিতে হবে।
- কিছুক্ষণের ছুটির প্রয়োজন হলে নেগরান উস্তাদ থেকে তথ্য বইয়ে লিখিত ছুটি নিয়ে অভিভাবকের সাথে যেতে পারবে।
- অভিভাবক নিজে মাদরাসার অফিস সংলগ্ন গেইটের ভিতরে দিয়ে যাবেন।
- প্রতি সপ্তাহে ছুটি নেওয়া থেকে বিরত থাকুন।
- ২ সপ্তাহ পরপর বৃহঃবার ১২:৪০ মিনিটে ছুটি হবে। এর আগে ছুটির কোন সুপারিশ গ্রহণযোগ্য নয়।
- যথা সময়ে মাদরাসায় উপস্থিত করুন। কোনো কারণে উপস্থিত হতে না পারলে যিম্মাদার উস্তাদকে ফোন করে জানান।
- বিশেষ ছুটির প্রয়োজন হলে; আগে যিম্মাদার উস্তাদকে ফোন করে ছুটি নিশ্চিত করে নিতে আসুন।
- ক্লাস ও পড়ার সময় কাউকে ছুটি ও সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়া হয় না।
শুধুই জ্ঞান চর্চা আমাদের লক্ষ্য নয়। আল্লাহমুখী হৃদয়, সুন্নাহমত জীবন, পরকালের পাথেয় সংগ্রহ ও মানব সেবাই আমাদের স্বপ্ন।
অনাবাসিক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের করণীয়
- সময়মতো আনা-নেওয়া নিশ্চিত করা।
- প্রতিদিন সময়মতো মাদরাসায় পাঠানো ও অকারণে অনুপস্থিত না রাখা।
- ঘরে পড়াশোনার সময় নির্ধারণ করা। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে সবক/পাঠ/হোমওয়ার্ক পড়ার ব্যবস্থা করা।
- ঘরে নিয়মিত পাঠের পরিবেশ তৈরি করা। দৈনিক সবক পড়া ও নামনের পড়া মুতালাআর জন্য নির্দিষ্ট সময় ঠিক করা।
- পাঠ শোনা ও তদারকি করা। শিক্ষক যা পড়িয়ে দেন, তা বাসায় নিয়মিত শুনে দেওয়া।
- মোবাইল ও টিভি ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ। পড়াশোনার সময় ফোন, গেম ও অপ্রয়োজনীয় স্ক্রিন ব্যবহার বন্ধ রাখা।
- শান্ত ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা। পড়ার সময় হৈচৈ ও বিঘ্নমুক্ত পরিবেশ তৈরি করা।
- ইসলামি আদব-আখলাক চর্চা করানো। সালাম, দোয়া, শালীনতা ও ভদ্র আচরণে অভ্যস্ত করা।
- পরিচ্ছন্নতা ও ইসলামী পোশাকে যত্নবান হওয়া।
- খাবার ও বিশ্রামের প্রতি নজর রাখা। হালাল ও পুষ্টিকর খাবার এবং পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা।
- শিক্ষকের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা। পড়াশোনার অগ্রগতি, দুর্বলতা ও আচরণ বিষয়ে খোঁজ নেওয়া।
- মাদরাসার নিয়ম-কানুন মানা। সময়সূচি ও যাবতীয় শৃঙ্খলা সংক্রান্ত নিয়ম মেনে চলা।
- খারাপ সঙ্গ ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রাখা। অশালীন কনটেন্ট ও অনুপযুক্ত বন্ধুদের প্রভাব থেকে রক্ষা করা।
- ভালো কাজে উৎসাহ দেওয়া। নিয়মিত পড়া, নামাজ ও ভালো আচরণে প্রশংসা করা।
- শাস্তির বদলে ধৈর্য ও ভালোবাসা প্রয়োগ করা। মারধর পরিহার করে বুঝিয়ে সংশোধন করা।
- নিয়মিত দোয়া করা। সন্তানের ইলম, আমল ও চরিত্র সুন্দর হওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা।
নূরানী শিক্ষার্থীর অভিভাবকের করণীয়
- মাদরাসার নিয়ম-কানুন মানা ও শিক্ষকের প্রতি সম্মান শেখানো। শিক্ষক ও মাদরাসার আদব-আখলাক মানতে সন্তানকে উৎসাহ দেওয়া।
- ইসলামি আমল চর্চায় অভ্যাস গড়া। নামাজ, দোয়া, সালাম, শিষ্টাচার ইত্যাদিতে অভ্যস্ত করা।
- পরিচ্ছন্নতা ও শৃঙ্খলা শেখানো। পরিষ্কার পোশাক, অযু-পবিত্রতার নিয়ম মা না শেখানো।
- খারাপ সঙ্গ ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রাখা। অশ্লীল কনটেন্ট, মোবাইল/টিভি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা।
- শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা। সন্তানের অগ্রগতি বা দুর্বলতা নিয়ে নিয়মিত খোঁজ নেওয়া।
- দোয়া ও উৎসাহ প্রদান। সন্তানের জন্য নিয়মিত দোয়া করা এবং ভালো করলে প্রশংসা করা।
- শাস্তির বদলে ভালোবাসায় শেখানো। মারধর না করে ধৈর্য ও স্নেহের মাধ্যমে সংশোধন করা।
- নিয়ত ঠিক রাখা। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সন্তানকে দ্বীনি শিক্ষায় গড়ে তোলার মানসিকতা রাখা।
- যথা সময়ে শিক্ষা সামগ্রী সরবরাহ করা। চক-শ্লেট, খাতা-কলম ইত্যাদি শেষ হওয়ার আগেই সংগ্রহ করে দেওয়া।
হিফয বিভাগের শিক্ষার্থীর অভিভাবকের করণীয়
- নিয়ত সহিহ রাখা। সন্তানকে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও কুরআনের খাদেম বানানোর নিয়ত রাখা।
- নিয়মিত হিফযে উপস্থিতি নিশ্চিত করা। সময়মতো মাদরাসায় পাঠানো এবং অকারণে ছুটি না নেওয়া।
- বাসা বাড়িতে থাকা কালীন ঘরে হিফযবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা। শান্ত পরিবেশে সবক, দাওর আমুখতা ও শবীনা পড়ার সুযোগ দেওয়া।
- মোবাইল ও প্রযুক্তি ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ। অপ্রয়োজনীয় মোবাইল, গেম, টিভি ও সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে রাখা।
- হালাল ও পরিমিত খাদ্যের ব্যবস্থা। অতিভোজন পরিহার করে পুষ্টিকর ও হালাল খাবার খাওয়ানো।
- নিয়মিত নামাজ ও আমলে উৎসাহ দেওয়া। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, তিলাওয়াত, দোয়া ও যিকিরে অভ্যস্ত করা।
- শিক্ষকের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা। হিফযের অগ্রগতি, দুর্বলতা ও করণীয় সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া।
- ধৈর্য ও মানসিক সমর্থন দেওয়া। চাপ সৃষ্টি না করে ভালোবাসা ও উৎসাহের মাধ্যমে সহযোগিতা করা।
- শাস্তি ও তুলনা থেকে বিরত থাকা। অন্যের সঙ্গে তুলনা বা কঠোর আচরণ না করা।
- মাদরাসার নিয়ম-কানুন মানতে সহযোগিতা করা। সময়সূচি, শৃঙ্খলা ও নীতিমালা মেনে চলা।
- খারাপ সঙ্গ থেকে দূরে রাখা। দ্বীনবিরোধী পরিবেশ ও সঙ্গ পরিহার নিশ্চিত করা।
- নিয়মিত দোয়া ও ইস্তিগফার করা। সন্তানের হিফয সহজ ও কবুল হওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা।
- সমস্যা হলে দ্রুত জানানো। শারীরিক, মানসিক বা পড়াশোনার সমস্যা হলে শিক্ষকের সাথে আলোচনা করা।
ছুটির দিনগুলোতে করণীয়
১. ইবাদতের পরিবেশ তৈরি করুন।
- নামাজ সময়মতো পড়তে উৎসাহ দিন।
- পরিবারের সঙ্গে নামাজের ব্যবস্থা করুন।
- কুরআন তিলাওয়াতের নির্দিষ্ট সময় ঠিক করে দিন।
- নিজে আমল করে সন্তানকে উদাহরণ দেখান।
২. পড়াশোনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখুন।
- দৈনিক অল্প সময় হলেও পড়ার রুটিন করুন।
- আগের পাঠ পুনরাবৃত্তিতে সাহায্য করুন।
- মুখস্থ পড়া শুনে দিন।
- পড়াশোনাকে শাস্তি নয়, আনন্দময় করুন।
৩. আদব ও চরিত্র গঠনে নজর দিন।
- সালাম দেওয়া, কথা বলার শালীনতা শেখান।
- সত্যবাদিতা ও দায়িত্ববোধ চর্চা করান।
- ভুল করলে গালি নয়—বুঝিয়ে সংশোধন করুন।
- ভালো কাজে প্রশংসা করুন।
৪. খেলাধুলা ও শরীরচর্চায় উৎসাহ দিন।
- প্রতিদিন কিছু সময় খেলাধুলার সুযোগ দিন।
- অশালীন বা ক্ষতিকর খেলা থেকে দূরে রাখুন।
- শারীরিক সুস্থতা যে ইবাদতের সহায়ক—এ কথা বোঝান
৫. মোবাইল ও স্ক্রিন ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ রাখুন।
- নির্দিষ্ট সময় ছাড়া মোবাইল ব্যবহার না করতে দিন। কী দেখছে—তা নজরে রাখুন।
- ইসলামি ও শিক্ষামূলক কনটেন্ট বেছে দিন।
- নিজেও অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
৬. পরিবারিক বন্ধন জোরদার করুন।
- একসাথে খাওয়া ও গল্প করার সময় রাখুন।
- সন্তানকে কথা বলার সুযোগ দিন।
- তার অনুভূতি গুরুত্ব দিয়ে শুনুন।
- তুলনা বা অপমান থেকে বিরত থাকুন।
৭. দোয়া ও আল্লাহর উপর ভরসা।
- সন্তানের জন্য নিয়মিত দোয়া করুন।
- তার ভবিষ্যৎ আল্লাহর হাতে সোপর্দ করুন।
- মনে রাখুন—সন্তান আমানত।
দায়িত্বশীল শিক্ষকদের মোবাইল নম্বর:
ছুটি, লেখা-পড়া ও চারিত্রিক উন্নয়ন সংক্রান্ত পরামর্শের জন্য যোগাযোগ:
| জামাত | যিম্মাদার | মোবাইল নং |
| হিফয, নুরানী ও খামেস (৫ম) | মাওলানা মুহা: আবুল হাসান (মুফতি হুজুর) | 01624284404 |
| রাবে, কুদুরী, শরহে বেকায়া, হেদায়া ও মেশকাত | মুফতি মাহমুদুল হাসান (নায়েব হুজুর) | 01624284405 |
| ছালেছ, মীযান, নাহবেমীর ও দাওরা | মাওলানা মোঃ আমানুল্লাহ (নাযেম হুজুর) | 01624284406 |
